বাংলাদেশ ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোদালকাটিতে নদীগর্ভে বিলীন হতে বসেছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / 104

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের নদী পাড়ের বাসিন্দাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম ভাঙন। দেশে প্রতিবছরই বিস্তীর্ণ এলাকা নদীভাঙনের শিকার হয়। এতে বসতভিটা জায়গা-জমি সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে অসংখ্য পরিবার। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের এক জরিপে বলা হয়, ভাঙনে প্রতিবছর প্রায় ছয় হাজার হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়।

রাজিবপুর সদর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ বিছিন্ন ১১ বর্গ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ দ্বীপ চর কোদালকাটি ইউনিয়ন। ইউনিয়নের চারপাশে নদী থাকায় প্রতিবছর ভাঙ্গনের শিকার হয় এলাকাবাসী। এমনিতেই চর রাজিবপুর উপজেলাটি দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা হিসেবে পরিচিত। এরি মাঝে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। প্রতিবছর উপজেলাটির কোন না কোন স্থানে তীব্র নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে।

নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে সাধারণ মানুষদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, বন্যায় পানি বৃদ্ধির পর পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙনের তীব্রতা দেখা যায়। বিশেষ করে বন্যা মৌসুমে। যে ধরনের ছোটখাট ব্যবস্থা করা হয় সেটা দিয়ে সমস্যা সমাধান হচ্ছে না। নদী ভাঙ্গনের জন্য যে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সেই সাথে এটার তদারকি করারও প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য সোহেল সরকার জানান, প্রতিবছরের ন্যায় আবারো তীব্র নদী ভাঙ্গনের শিকার কোদালকাটি বাসী। নদী ভাঙ্গনের এলাকা গুলো আমি পরিদর্শন করেছি। বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, কবরস্থান রক্ষার্থে আমাদের জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার চেষ্টা চলছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার্থে আমি আমার স্থান থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে যত দ্রুত সম্ভব নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর (মনোযোগ প্রকাশ.কম)//এমএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোদালকাটিতে নদীগর্ভে বিলীন হতে বসেছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

আপডেট সময় : ০৫:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের নদী পাড়ের বাসিন্দাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম ভাঙন। দেশে প্রতিবছরই বিস্তীর্ণ এলাকা নদীভাঙনের শিকার হয়। এতে বসতভিটা জায়গা-জমি সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে অসংখ্য পরিবার। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের এক জরিপে বলা হয়, ভাঙনে প্রতিবছর প্রায় ছয় হাজার হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়।

রাজিবপুর সদর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ বিছিন্ন ১১ বর্গ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ দ্বীপ চর কোদালকাটি ইউনিয়ন। ইউনিয়নের চারপাশে নদী থাকায় প্রতিবছর ভাঙ্গনের শিকার হয় এলাকাবাসী। এমনিতেই চর রাজিবপুর উপজেলাটি দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা হিসেবে পরিচিত। এরি মাঝে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। প্রতিবছর উপজেলাটির কোন না কোন স্থানে তীব্র নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে।

নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে সাধারণ মানুষদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, বন্যায় পানি বৃদ্ধির পর পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙনের তীব্রতা দেখা যায়। বিশেষ করে বন্যা মৌসুমে। যে ধরনের ছোটখাট ব্যবস্থা করা হয় সেটা দিয়ে সমস্যা সমাধান হচ্ছে না। নদী ভাঙ্গনের জন্য যে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সেই সাথে এটার তদারকি করারও প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য সোহেল সরকার জানান, প্রতিবছরের ন্যায় আবারো তীব্র নদী ভাঙ্গনের শিকার কোদালকাটি বাসী। নদী ভাঙ্গনের এলাকা গুলো আমি পরিদর্শন করেছি। বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, কবরস্থান রক্ষার্থে আমাদের জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার চেষ্টা চলছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার্থে আমি আমার স্থান থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে যত দ্রুত সম্ভব নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর (মনোযোগ প্রকাশ.কম)//এমএইচ