সবকিছু পুড়িয়ে নিভল হংকংয়ের আগুন, নিহত বেড়ে ৯৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ের একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৭৬ জন, যার মধ্যে ১১ জন দমকলকর্মীও রয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ভোরে ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ আপডেটে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অগ্নিকাণ্ডটি কমপ্লেক্সের আটটি ব্লকে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের চারপাশে থাকা বাঁশের মাচা এবং ভেতরে থাকা দাহ্য উপাদান আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলতে থাকা আগুন প্রায় পুরো কমপ্লেক্সকে ভস্মীভূত করে দেয়। নিহতদের মধ্যে ৩৭ বছর বয়সী এক ফায়ার ফাইটারও রয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এখন আগুন প্রায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, তবে ভবনগুলো গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

কীভাবে এই বিপর্যয়কর অগ্নিকাণ্ড শুরু হলো, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বাঁশের মাচা, প্লাস্টিকের জালসহ বিভিন্ন উপাদান তদন্তের আওতায় রয়েছে। হংকংয়ের দুর্নীতি দমন সংস্থাও কমপ্লেক্সটির সংস্কারকাজ নিয়ে তদন্তে নেমেছে। এর আগে অসাবধানতাবশত ফোমের প্যাকেজিং রেখে যাওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় বাসিন্দারা পর্যাপ্ত সতর্ক সংকেত পাননি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাই পোর ওয়াং ফুক কোর্টের বাসিন্দারা জানান, প্রতিবেশীদের সতর্ক করতে নিজেদেরই দরজায় দরজায় গিয়ে খবর দিতে হয়েছে। সুইন নামের এক বাসিন্দা বলেন, "একটি মাত্র হোস পাইপ দিয়ে কয়েকটি ভবন বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল— যা আমার কাছে খুব ধীর মনে হয়েছে।"

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর হাজারো সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। ৩৮ বছর বয়সী স্টোন নামের এক ব্যক্তি একটি সহায়তা কেন্দ্র চালু করে বলেন, “এটা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। হংকংবাসীর মানসিকতা হলো— একজন বিপদে পড়লে সবাই এগিয়ে আসে।”

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970