ছাত্রদলে পদ পেলেন ঢাবির কার্জন হলের সিকিউরিটি গার্ড

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ১১:৫১ এএম

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার নতুন কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সিকিউরিটি গার্ড জুলহাস মিয়াকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে সংগঠনের ভেতরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

গত ৪ এপ্রিল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। পরে ২ মে সংগঠনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেই কমিটি প্রকাশ করা হলে সেখানে জুলহাস মিয়ার নাম দেখা যায়।

জুলহাস মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তিনি একটি সম্মানসূচক পদ চেয়েছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেনের কাছে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। তবে কমিটিতে থাকা ব্যক্তি তিনি নিজেই কি না, তা নিয়ে তিনি পুরোপুরি নিশ্চিত নন বলেও দাবি করেন।

তবে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের নেতারা জানিয়েছেন, কমিটিতে থাকা জুলহাস মিয়া একই ব্যক্তি, তবে তার পেশাগত পরিচয় সম্পর্কে তারা আগে জানতেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুলহাস মিয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের প্রধান গেটে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত।

জুলহাস মিয়া বলেন, তিনি ছোটবেলা থেকেই ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৭ সালে চাকরিতে যোগ দেন এবং দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি আরও জানান, সহকর্মীদের কাছে একটি পদ চেয়েছিলেন যাতে ভবিষ্যতে পরিচয় হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও পদ পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ছয় মাস আগে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন। তবে কমিটিতে থাকা নামটি তারই কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং এ নিয়ে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কিছু প্রকাশ করেননি।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি মো. সোহাগ ভূঁইয়া বলেন, কমিটিতে থাকা জুলহাস মিয়া একই ব্যক্তি। তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেন বলেন, জুলহাস যে সিকিউরিটি গার্ড, তা তিনি জানতেন না। জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল টিমের অংশ হিসেবে।

সাধারণ সম্পাদক মো. হান্নান মজুমদার বলেন, তারা জুলহাসের পেশাগত পরিচয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং পরে মন্তব্য জানাবেন।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970