খামেনিকে হত্যার জন্য ট্রাম্পকে চরম মূল্য দিতে হবে: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি। তিনি বলেছেন, ইরানের নেতা ও জনগণের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এর জন্য ট্রাম্পকে চরম মূল্য দিতে হবে।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী আলী লারিজানি বলেন, আমাদের নেতা ও জনগণের রক্ত বৃথা যাবে না। আমরা নিরলসভাবে প্রতিশোধ নেব এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই হামলায় ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

তবে লারিজানির এই হুমকিকে গুরুত্ব দেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে বলেন, আলী লারিজানি কে—সে সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই এবং তিনি এসব বক্তব্যকে গুরুত্ব দেন না। তার ভাষ্য, লারিজানি ইতোমধ্যেই পরাজিত।

এদিকে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকবে এবং তেহরানের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে আলী লারিজানি ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে বলেন, তারা যেন নিজেদের ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করতে না দেয়। অন্যথায় ইরান নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যখন অঞ্চলজুড়ে থাকা ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর হামলা চালায়, তখন ইরান জবাব দেয় এবং ভবিষ্যতেও জবাব দিতে থাকবে।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের সাবেক কমান্ডার আলী লারিজানি দাবি করেন, ইরান কিছু মার্কিন সেনাকেও আটক করেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছাড়বে না।

লারিজানির অভিযোগ, ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পাশাপাশি এক হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয় এবং এর জবাব দেওয়া হবে।

এছাড়া তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্য ছিল ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে দুর্বল করে টুকরো টুকরো করা। তাদের পরিকল্পনা ছিল ভেনেজুয়েলার মতো একটি পরিস্থিতি তৈরি করা, যেখানে সহিংসতার হুমকির মধ্যে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে সহযোগিতায় বাধ্য করা হয়েছিল।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970