চিকেনস নেককে ‘হাতিতে’ রূপান্তরের হুমকি ভারতীয় আধ্যাত্মিক গুরুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৪ পিএম

জাজ্ঞি বাসুদেব ওরফে সাধুগুরু। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের শিলিগুড়ি করিডর, যা ঐতিহাসিকভাবে ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত, এবার ভারতের আধ্যাত্মিক গুরু জাজ্ঞি বাসুদেব ওরফে সাধগুরুর হুমকির শিকার হয়েছে। শিলিগুড়ি করিডরের সবচেয়ে সরু অংশ মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া এবং এর আশেপাশে রয়েছে চীন, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশসহ চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।

সেভেন সিস্টার্স হিসেবে পরিচিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্য ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে এই করিডরের মাধ্যমে সংযুক্ত। করিডরের ছোট আয়তনের কারণে ভারত বরাবরই নিরাপত্তা শঙ্কায় ভোগে। কারণ এই সংযোগস্থল হারা মাত্রাতিরিক্ত হলে সাতটি রাজ্য মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাধগুরু বলেন, “শিলিগুড়ি করিডর হলো ভারত বিভাজনের ফলে সৃষ্ট ৭৮ বছরের পুরোনো একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি, যা ১৯৭১ সালেই সংশোধন করা উচিত ছিল। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি প্রকাশ্য হুমকি তৈরি হলে এই চিকেনকে পুষ্ট করে হাতিতে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।”

তিনি স্পষ্ট করেননি কোন দেশ বা পক্ষ হুমকি সৃষ্টি করছে। তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় করিডরের গুরুত্ব দেয়নি বলে উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, “১৯৭২ সালে আমাদের সেই ক্ষমতা ছিল, তবুও আমরা করিনি। এখন সময় এসেছে চিকেনস নেককে দ্রুত ‘হাতিতে’ রূপান্তরিত করার।” তিনি আরও বলেন, “দুর্বল জাতি গড়ে ওঠে না। তাকে শক্তিশালী করতে ‘পুষ্টি’ বা ‘স্টেরয়েড’ প্রয়োজন হতে পারে। যা-ই দরকার হোক, আমাদের তা করতে হবে।”

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সীমান্তে বিভিন্ন ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, যার মধ্যে নাগরিকদের পুশ-ইন, নির্বিচারে গুলি চালানো, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও ভারতে বসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের কার্যক্রম বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত।

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড (রাজিবপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন),
চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokash2021@gmail.com

মোবাইল: +8801948-645226