তারেক রহমান-শফিকুর ও নাহিদের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নুরের

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০১ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

বার্ষিক আয়ের হিসাবে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের ছাড়িয়ে গেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, ব্যবসায়ী নুরের বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা, যা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আয়ের চেয়েও বেশি।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) নুরুল হক নুরের জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামার তথ্যে দেখা যায়, নুরের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা। অপরদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা।

যদিও বার্ষিক আয়ের দিক থেকে নুর এগিয়ে রয়েছেন, তবে মোট সম্পদের হিসাবে এগিয়ে আছেন তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান। তারেক রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং ডা. শফিকুর রহমানের সম্পদ ১ কোটি ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৪০ টাকা। নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১ টাকা।

সম্পদের বিবরণীতে আরও দেখা যায়, নুরের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা। কোম্পানির শেয়ারে তার বিনিয়োগ ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য আমানতের পরিমাণ ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা। তার মালিকানায় রয়েছে ৮২ ডেসিমেল জমি এবং তার স্ত্রী মারিয়া আক্তারের নামে রয়েছে ৩ একর কৃষিজমি।

দায়-দেনার হিসাবে নুরের দেনা রয়েছে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকা। তবে তার নামে কোনো ব্যাংক ঋণ নেই। তার স্ত্রী মারিয়া আক্তার পেশায় একজন শিক্ষিকা। তার বার্ষিক আয় ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৮০ টাকা এবং মোট সম্পদ ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা।

হলফনামায় পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, নুরুল হক নুর তিন সন্তানের জনক। তার ওপর নির্ভরশীল হিসেবে বাবা-মা ও ভাই-বোন রয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে ৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে তিনি ৮টি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জোটগত সমঝোতার কারণে এই আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। তবে সাবেক বিএনপি নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং গণঅধিকার পরিষদের শহিদুল ইসলাম ফাহিমও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড (রাজিবপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন),
চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokash2021@gmail.com

মোবাইল: +8801948-645226