সরকারি চাকরিতে সরাসরি বরখাস্তের বিধান রেখে সংসদে বিল পাস

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং কর্মস্থলে শৃঙ্খলা জোরদার করতে বিদ্যমান আইনে সংশোধন এনে নতুন বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। এতে সরাসরি বরখাস্তসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে স্পিকারের সভাপতিত্বে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিল উত্থাপন করা হয় এবং পরে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ নির্দেশ অমান্য করলে, সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা দিলে কিংবা যৌথভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। একইভাবে, অন্য কর্মচারীর দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়াও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের অপরাধের জন্য তিন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে—নিম্নপদে অবনমিত করা, বাধ্যতামূলক অবসর এবং সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত।

আইনে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে হবে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটিকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে সময় আরও সাত দিন বাড়ানো যাবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল না হলে তা সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অদক্ষতা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এ সংক্রান্ত তথ্য সরকারি নথিতে সংরক্ষণ করা হবে।

আইন অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতির আদেশের ক্ষেত্রে আপিলের সুযোগ না থাকলেও পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিলের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগের দুটি অধ্যাদেশ বাতিল করে স্থায়ী আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970