রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার, মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা রাষ্ট্রপক্ষের
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় আজ রোববার (৭ জুন) ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় দেবেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
শনিবার (৬ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণে তারা সফল হয়েছেন। তাই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, তারা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর রায়ের জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হওয়ার পর স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজ করতে গিয়ে তার মা আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান।
পরিবারের সদস্য ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে সেটি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা রামিসার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনে।