সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবার অংশগ্রহণ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তিনি জানান, সহাবস্থানের একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তৃতার শুরুতেই একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
তিনি বলেন, যারা অতীত নিয়ে আটকে থাকে তারা একচোখ অন্ধ, আর যারা অতীত ভুলে যায় তারা দুই চোখ অন্ধ। তবে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার অতীতকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমাদের সঠিক ইতিহাস চর্চা করতে হবে, না হলে সামনের পথে অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।
তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধকে জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ ইতিহাস হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এর গৌরব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও বহমান থাকবে। তবে মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করার কোনো বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা উচিত নয়।
তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার দীর্ঘ প্রস্তুতি ছিল, যা ১৯৭২ ও ১৯৭৪ সালে দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশিত হয়েছে। তার সেই লেখাগুলো নিয়ে কখনো কোনো আপত্তি উঠেনি।
আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সভা সঞ্চালনা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিকেল আড়াইটার দিকে অনুষ্ঠিত সভায় বিশিষ্টজন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরেন।