চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা

সারাদেশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কনটেন্ট নির্মাতা ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এবং বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য দুই আসামি হলেন কাফির বাবা এ বি এম হাবিবুর রহমান এবং বড় ভাই মামুন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা একটি খননযন্ত্র, ভ্যান ও খোয়া নিয়ে বিদ্যালয়ের রজপাড়া মৌজার বিএস খতিয়ান নম্বর-১২-এর ৫৯ নম্বর দাগভুক্ত জমিতে প্রবেশ করেন। পরে সেখানে মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম অন্য শিক্ষকদের নিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ জমি থেকে অন্তত ১ লাখ টাকার মাটি কেটে নিয়ে যান এবং সেখানে খোয়া ফেলে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বাদী আব্দুর রহিম জানান, রজপাড়া মৌজার একাধিক বিএস দাগে মোট ২১ দশমিক ৭৬ একর জমির মালিক খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি সরকারি খাসজমিসহ নির্ধারিত সীমানার জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তাতে সম্মত হননি। পরে কলাপাড়া থানায় গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর তিনি আদালতে মামলা করেন এবং বিদ্যালয়ের জমি রক্ষায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

অন্যদিকে, নুরুজ্জামান কাফি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সংশ্লিষ্ট জমির প্রকৃত উত্তরাধিকারীরা সুপ্রিম কোর্টের রায় পাওয়ার পর তিনি তাদের কাছ থেকে বায়নামূলে জমি কিনেছেন। জমির মালিকরা বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কাফির ভাষ্য, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970