সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এলাকায় সরব জামায়াতের সংসদ সদস্যরা
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
শপথ গ্রহণের পর থেকেই নিজের সংসদীয় এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন জামায়াতে ইসলামের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা স্থানীয় জনসাধারণ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় করে এলাকার সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। এছাড়া পরিচ্ছন্নতা অভিযান, গরিব ও অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমও জোরদার করেছেন তারা।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জামায়াতের এমপিরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত এলাকায় কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। শপথের আগে থেকে তারা জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহমর্মিতা দেখিয়ে আসছিলেন।
উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা-১৫ আসনের এমপি ডা. শফিকুর রহমান শপথের পরদিন রাস্তা পরিষ্কার করেন এবং মিরপুর-কাফরুলকে মডেল এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে প্রশাসন ও পুলিশকে দফায় দফায় নির্দেশনা দেন।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এমপি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি মাওলানা আবু তালিব এলাকায় জনবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মাওলানা আবু তালিব কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে চিকিৎসাসেবা ও রোগীর সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন, ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মূল্য না নেওয়ার জন্য সতর্ক করেন এবং অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে পদক্ষেপ নেন।
চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি যথাক্রমে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল ও অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা মানোন্নয়নে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ঝিনাইদহ-২ আসনের এমপি আলী আজম মো. আবু বকর সব ধরনের যানবাহন থেকে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহী প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় অযৌক্তিক টোল, অবৈধ বালু উত্তোলন, মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধে উদ্যোগ নিয়েছেন। বাগেরহাট-২ আসনের এমপি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ শহরের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে নগরীকে সুন্দর ও সুস্থ করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন।
রংপুর-২ আসনের এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে সেবার মান উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করেছেন।
মোট ৬৮ জন জামায়াতের নির্বাচিত সংসদ সদস্য তাদের নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছেন। প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে।