নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর অভিযোগ অস্বীকার রুমিন ফারহানার
সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হলেও তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ না থাকার অভিযোগ তুলেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আশুগঞ্জের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক যে অভিযোগ তুলেছেন, সেটি প্রকৃত ঘটনা নয়। তার ভাষ্য, বিষয়টিকে ‘এ রকম দেখায়’ বলে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেটির জন্য ইতোমধ্যে তিনবার শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় এই প্রশাসনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে হবে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা আরও অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শোকসভার নামে জনসভা করছেন, গরু জবাইয়ের আয়োজন করছেন এবং তার বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য দিলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিষয়টি রিটার্নিং অফিসারকে জানালেও তিনি কোনো স্পষ্ট উত্তর পাননি বলেও দাবি করেন।
এদিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে রুমিন ফারহানাকে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় কার্যালয়ে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রুমিন ফারহানা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জবাব দেবেন।
এর আগে শনিবার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকারের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রুমিন ফারহানার উপস্থিতিতে প্যান্ডেল করে বড় ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। ওই সমাবেশে তার কর্মীরাও মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সরাইলের কালীকচ্ছে এক মতবিনিময় সভায় রুমিন ফারহানা প্রশাসন, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ হয়। তিনি ৫ আগস্টের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোনো আসনে পক্ষপাত হলে তেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।