বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ৪৮০০ জন, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলার হোল্ডিং সেন্টার থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন কথিত অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
রোববার (৮ জুন) বিজেপির একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
তবে এতসংখ্যক ব্যক্তিকে কবে, কোন সীমান্ত দিয়ে এবং কী প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি শুভেন্দু। এছাড়া যাদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের পরিচয় নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পর্কেও ভারতের কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
সভায় শুভেন্দু বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, সীমান্তের প্রায় ৫৫৬ কিলোমিটার এলাকায় এখনো কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকার জমি ইতোমধ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ করিডর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শুভেন্দু আরও দাবি করেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় না পড়া ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে বহু অবৈধ অভিবাসী দীর্ঘদিন সরকারি খরচে বিভিন্ন কেন্দ্রে অবস্থান করার সুযোগ পেয়েছেন।
এদিকে, পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ। বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইটও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে