কাঁঠাল থেকে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি: কৃষিমন্ত্রী

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ফল কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কাঁঠাল দিয়ে বর্তমানে সিঙ্গারা, সমুচা, কাবাবসহ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে। এসব পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন সম্প্রসারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে, পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও বাণিজ্যিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। আগে যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, এখন সেগুলোর অনেকই দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং ভবিষ্যতে আরও অনেক ফল আমদানির প্রয়োজন হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, জাতীয় ফল মেলায় দেশীয় জনপ্রিয় ফলের পাশাপাশি এমন অনেক অপ্রচলিত ফলও প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা সাধারণ বাজারে সহজে পাওয়া যায় না। একই সঙ্গে বিদেশি ফলের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

ড্রাগন ফলের উদাহরণ তুলে ধরে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কয়েক বছর আগেও এ ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে দেশে এর উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং ভবিষ্যতে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হয়েছে। তার মতে, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত ড্রাগন ফল স্বাদ ও মিষ্টতায় বিদেশি ফলের তুলনায় উন্নত।

তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে যুক্ত হওয়ায় এ খাতের প্রসার ঘটছে। ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে এবং চলতি বছরে কাঁঠাল রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ কমানো হয়েছে—এমন সমালোচনার জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বরাদ্দ কমেনি; বরং আগের অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটের মাধ্যমেও কৃষি খাতকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970