দুদিনের ব্যবধানে দেশে ফের ভূমিকম্প, এবার উৎপত্তিস্থল কোথায়?

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৬ এএম

ছবি: সংগৃহীত

দেশে দু’দিনের ব্যবধানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় হালকা কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং ইউরোপিয়ান–মেডিটারেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল গাজীপুরের টঙ্গী থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে এবং নরসিংদী থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার উত্তরে। এর গভীরতা ছিল প্রায় ৩০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা রুবাঈয়্যাৎ কবীর জানান, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। এটি মৃদু মাত্রার হলেও অনেক এলাকায় ঝাঁকুনি বেশ স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়।

সকালে হঠাৎ ঝাঁকুনিতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, লক্ষীপুর, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা।

এর আগে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গোপসাগরে ৪.২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তার একদিন আগে সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা, সিলেট, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউএসজিএস জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মিনজিন এলাকায় ১০৬ কিলোমিটার গভীরে; যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯।

অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সেদিনের ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ৪৩১ কিলোমিটার দূরে এবং এটি হালকা মাত্রার ছিল।

উল্লেখ্য, ২১ নভেম্বর নরসিংদীতে হওয়া ৫.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকেই রাজধানী ও আশপাশে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেদিনের কম্পনে প্রায় ১৪ কোটি মানুষ ভূমিকম্প অনুভব করেন, নিহত হন অন্তত ১০ জন এবং আহত হন ছয় শতাধিক মানুষ। অনেক ভবনে ফাটল ও হেলে পড়ার ঘটনাও ঘটে। এরপর ২২ নভেম্বর সকাল ও সন্ধ্যায় অল্প ব্যবধানে আরও তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970