ভোট ও পরবর্তী দুই দিনে ২১০টি সহিংসতার ঘটনা, ইডব্লিউ'র রিপোর্ট

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৫ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের দিন এবং তার পরবর্তী দুই দিনে সারাদেশে ২১০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, শারীরিক হামলা, হুমকি এবং ভাঙচুরের মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে ৫৩ শতাংশই শারীরিক হামলা, ১৪ শতাংশ বাড়িঘর, অফিস ও চেম্বারে হামলা, ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে হুমকি, ১০ শতাংশ অগ্নিসংযোগ এবং বাকি ১০ শতাংশ অন্যান্য সহিংসতা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নির্বাচন ও নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতি: প্রতিবেদন ও পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন মো. শরিফুল আলম, ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)-এর প্রধান।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে তিন দিনের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, মূলধারার গণমাধ্যমে সব সহিংসতার তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে না। মাঠ পর্যবেক্ষণে সহিংসতার চিত্র আরও বিস্তৃত। সংস্থার মনিটরিং টিমের তথ্য অনুযায়ী, ভোটের দিনসহ পরবর্তী দুই দিনে মোট ২১০টি সহিংসতা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

মো. শরিফুল আলম বলেন, ভোট আপাতদৃষ্টিতে শান্তিপূর্ণ হলেও কাঠামোগত ত্রুটি এবং কিছু প্রশাসনিক পদে পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া ভোট গণনায় দীর্ঘসূত্রতা, ফলাফলে বিলম্ব, রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা এবং ভোটার সংখ্যার সঙ্গে ফলাফলের অসঙ্গতি জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

ভোটের পরবর্তী দুই দিনে বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইডব্লিউএ’র পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কেবল শান্তিপূর্ণ ভোটই যথেষ্ট নয়, ভোট গণনাও সুষ্ঠুভাবে হতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইডব্লিউএ’র খোন্দকার জাকারিয়া আহমদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট হেমায়েত হোসেন এবং রফিকুজ্জামান রোমান।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970