ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ দেখতে আগ্রহী মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভাইরাল হওয়া গোলাপি রঙের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার পর এবার মহিষটি দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারাও।
৭০০ কেজি ওজনের এলভিনো জাতের এই মহিষটির নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ রাখার পর থেকেই সেটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহিষটিকে নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিদিনই নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া এগ্রো ফার্মে ভিড় করছেন শত শত মানুষ।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন মহিষটি এক নজর দেখতে। শিশু-কিশোর, তরুণ এমনকি নারীদের মধ্যেও দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকছে পুরো ফার্ম এলাকা।
গত ১০ মে মহিষটিকে নিয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে এটি আলোচনায় আসে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মহিষটি নিয়ে নানা ধরনের ছবি ও প্রচার দেখা যায়। বিশেষ করে ইরান ও পাকিস্তানের কয়েকটি গণমাধ্যমে আসল ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবির সঙ্গে গোলাপি মহিষটির ছবি যুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে।
এদিকে মহিষটিকে ঘিরে আলোচনার মধ্যেই মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ভাইরাল হওয়া মহিষটি দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
ফার্ম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫৫০ টাকা কেজি দরে রাজধানীর পুরান ঢাকার এক ক্রেতা ইতোমধ্যে মহিষটি কিনে নিয়েছেন। ঈদের আগেই সেটিকে ঢাকায় নেওয়া হবে।
দর্শনার্থীদের অনেকেই জানিয়েছেন, মহিষটি শুধু দেশে নয়, বিদেশেও আলোচনায় এসেছে—এটি তাদের কাছে গর্বের বিষয়। অনেকের মতে, মহিষটির চুল ও চোখের গঠন অনেকটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মিল রয়েছে।
রাবেয়া এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা বলেন, মহিষটি এতটা জনপ্রিয় হবে তা তিনি কল্পনাও করেননি। দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও তার কাছে ফোন আসছে। মহিষটির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ও তার ফার্ম বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ সদর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইউনুস আলী জানান, মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মকর্তা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ভাইরাল মহিষটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। তারা ফার্মটি পরিদর্শনে আগ্রহ দেখিয়েছেন, তবে কবে আসবেন তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।