গণঅধিকার আন্দোলনের এমপি প্রার্থীর ওপর হামলা — রাশেদের কঠোর মন্তব্য ও বিচারের দাবি
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০২ এএম
গাজীপুরের বড়বাড়ী এলাকা থেকে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও এমপি পদপ্রার্থী আব্দুর রহমানকে দুর্বৃত্তরা হামলা করে গুরুতর আহত করেছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটে এই হামলার ঘটনায় তাকে প্রথমে বোর্ডবাজারের লোকাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থা ঝুঁকির কারণে পরে পুলিশের সহযোগিতায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মাথায় মোট ১২টি সেলাই দেয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
শ্রমিক অধিকার পরিষদের গাজীপুর মহানগরের সভাপতি মাজেদুর রশীদ ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে আব্দুর রহমান শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে নিজের বাড়ি বড়বাড়ীতে ফেরার সময় বড়বাড়ী বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নামলে একটি গাড়ি থেকে নেমে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক তাকে গাড়িতে তুলার চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং গলা দিয়ে বলে— “তোর এমপি হওয়ার সাধ আজ মিটিয়ে দেবো। আজ তোর জীবনের শেষ দিন।” টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে টহল পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন —
“শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুর রহমানের ওপর গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় অতর্কিত হামলা। গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফেরার পথে টার্গেট করে তার ওপর এই হামলা করা হয়। অনতিবিলম্বে এই হামলার বিচার ও দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।” (নোট: পোস্টটি সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে দেওয়া হয়েছে)।
পক্ষগুলোর দাবি ও উপস্থিত বিবরণ থেকে স্পষ্ট যে হামলাটি পরিকল্পিত ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে; ফলে তদন্ত ও দ্রুত আইনি ব্যবস্থার দাবি করছে দল ও সমর্থকরা। স্থানীয় নেতারা অভিযানকারী ও আহত প্রার্থীর সুরক্ষার জন্য কড়া নিরাপত্তা ও তৎক্ষণাৎ বিচারের অনুরোধ করেছেন।
এ পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেফতার বা পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার এবং ভবিষ্যতে অনুরোধমতো কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত চালিয়ে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেয়ার দাবি উঠেছে।