চাঁদপুরের এক গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন, অংশ নিলেন মাত্র ৭ মুসল্লি

সারাদেশ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের একটি গ্রামে দেশের প্রচলিত সময়ের আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল ইউনিয়নের সাদ্রা চৌধুরী বাড়িতে সীমিত পরিসরে এই ঈদ পালিত হয়, যা এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে দিনটির কার্যক্রম শুরু হয়। এতে অংশ নেন মাত্র সাতজন মুসল্লি। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আবু বক্কর।

ঈদ পালনকারীদের দাবি, তারা নাইজার, মালি ও আফগানিস্তানের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদ দেখার হিসাব অনুযায়ী এই ঈদ উদযাপন করেছেন। তবে তাদের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রচলিত চাঁদ দেখার পদ্ধতি ও সরকারি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই এ ধরনের ভিন্ন উদ্যোগে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, ধর্মীয় উৎসবের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলাদা সিদ্ধান্ত সামাজিক বিভাজন তৈরি করতে পারে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর জব্বার জানান, সাদ্রা দরবার শরিফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পরিবারের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে এই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। মাওলানা আরিফের মেজ ভাই মাওলানা আবু বক্কর পরিবারের সাত সদস্যকে নিয়ে জামাত পরিচালনা করেন।

অন্যদিকে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, প্রশাসনের কাছে আগাম ঈদ পালনের বিষয়ে কোনো পূর্ব তথ্য ছিল না। তিনি জানান, সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের কিছু এলাকায় একদিন পর ঈদ উদযাপন করা হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদ দেখার পদ্ধতি, ধর্মীয় অনুশীলন ও স্থানীয় ঐক্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের বিষয়ে সমন্বয় ও সচেতনতা জরুরি, যাতে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকে।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদ নির্ধারণ করা হয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সময়ের পার্থক্যের কারণে কখনো কখনো এমন ভিন্নতা দেখা যায়।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970