‘সমঝোতায়’ বেড়েছে সুগন্ধি চালের দাম

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে সুগন্ধি চালের দাম বাড়িয়েছে। প্রতি কেজি প্যাকেটে দাম বেড়েছে ২০ টাকা। এ দাম বৃদ্ধির পেছনে কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সিদ্ধান্ত, যা নেওয়া হয়েছিল গত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে। সে সময় সুগন্ধি চালের রপ্তানির নতুন অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যা স্থানীয় বাজারে মূল্য বাড়ার দিকে প্রভাব ফেলেছে।

ঢাকার বাজারে কালোজিরা ও চিনিগুঁড়া চাল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়কে বিক্রি হয়। প্যাকেটজাত প্রতি কেজি চালের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এখন ১৭৫ টাকা, যেখানে খোলা চাল বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। শবেবরাতের আগে দাম ছিল ১৫০-১৫৫ টাকা। বিক্রেতারা জানান, বড় ব্র্যান্ডগুলো—স্কয়ার, প্রাণ, আকিজ, সিটি, রূপচাঁদা, ফ্রেশ—চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে দাম বাড়িয়েছে। এক কেজির প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যে কোনো পার্থক্য নেই, যা যোগসাজশের ইঙ্গিত দেয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

স্থানীয় সরবরাহকারীর বেশিরভাগই রপ্তানিকারক। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের রপ্তানির অনুমোদন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। অনুমোদন প্রাপ্ত ৬১টি প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, রমজানের আগে এই অনুমোদন ও স্থানীয় চাহিদা মিলিয়ে দাম বৃদ্ধি হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, দেশের উৎপাদন প্রায় ২০ লাখ টন, যেখানে স্থানীয় চাহিদা ১২-১৫ লাখ টন। কোম্পানিগুলো দাবি করে রপ্তানি স্থানীয় বাজারে প্রভাব ফেলে না, কিন্তু অনুমোদনের সঙ্গে বাজারে দাম বেড়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে সুগন্ধি চাল রপ্তানি শুরু হলেও, ২০১৩ এবং ২০২২ সালে বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের সুগন্ধি চাল রপ্তানি হয়েছে।

কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সহসভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, একসঙ্গে দাম নির্ধারণ করা হলে সেখানে যোগসাজশের আশঙ্কা থাকে এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের তদন্ত প্রয়োজন।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970