ক্ষেপণাস্ত্র নয়, মৌমাছির আতঙ্কে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন ইসরায়েলের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই ইসরায়েলের নেতিভত শহরে দেখা দিয়েছে ভিন্ন ধরনের আতঙ্ক। কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নয়, হাজার হাজার মৌমাছির ঝাঁক শহরের আকাশ ঢেকে ফেলায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

গত বুধবার নেতিভতের একটি বিপণিবিতান ঘিরে হঠাৎ করে মৌমাছির বিশাল ঝাঁক জড়ো হয়। মুহূর্তের মধ্যে ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা থেকে শুরু করে আশপাশের বাসাবাড়ির বারান্দা ও সড়ক দখলে নেয় এসব মৌমাছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রেখে ভেতরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মৌমাছির ঘন উপস্থিতিতে আকাশ প্রায় অন্ধকার হয়ে গেছে।

এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি জনজীবনের পাশাপাশি প্রভাব ফেলেছে দেশটির সামরিক কার্যক্রমেও। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, একটি সামরিক বিমানের ইঞ্জিনে মৌমাছির ঝাঁক ঢুকে পড়ায় এবং ডানায় আটকে যাওয়ায় সেটির উড্ডয়ন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। যুদ্ধকালীন সতর্ক অবস্থার মধ্যে এমন ঘটনা সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অনেকেই এটিকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা এসব ধারণা নাকচ করেছেন।

কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক পরিবেশে গাছপালা কমে যাওয়ায় মৌমাছিরা এখন শহরের দালান বা দেয়ালের ফাটলকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছে। পাশাপাশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেও তাদের স্বাভাবিক বাসস্থানের ধরনে পরিবর্তন এসেছে।

যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ইসরায়েলের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে মানসিক চাপ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কীটতত্ত্ববিদ ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970