নির্বাচনে জিততে রাফাল বিমান ছাড়া সব নামিয়েছে বিজেপি: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ এখন চরমে। পরিস্থিতি কেবল ভোটের মাঠে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা এক অঘোষিত রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেছেন, বিজেপি নির্বাচনে জিততে রাফাল বিমান ছাড়া প্রায় সব শক্তি মাঠে নামিয়েছে।

তার এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক কটাক্ষ হিসেবে দেখলেও, অনেকের মতে এটি কেন্দ্রীয় শক্তির প্রভাব বিস্তারের অভিযোগকে সামনে এনেছে। ফলে নির্বাচনকে একটি অসম লড়াই হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে।

প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে রাজনৈতিক বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার নামে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং নির্বাচন কমিশনের একের পর এক নির্দেশনা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করেছে। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মমতার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তার দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রের মতো সাঁজোয়া বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে সাধারণ ভোটারদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। তিনি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মমতা সরকারের সমালোচনা করেছেন এবং তরুণদের জন্য বছরে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে উন্নয়নকে মূল ইস্যু হিসেবে সামনে আনার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে ধর্মীয় মেরুকরণের ইঙ্গিতও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এই নির্বাচনের মধ্যেই “ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চ” নামের একটি সংগঠন “কালো দিবস” পালনের ডাক দিয়েছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও উঠেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে এই নির্বাচন কি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক উৎসব, নাকি ক্ষমতা দখলের এক তীব্র রাজনৈতিক লড়াই।

প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুজন মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: ২/এ, কালাচাঁদপুর মেইন রোড, ঢাকা- ১২১২

ইমেইল: monojogprokashnews@gmail.com

মোবাইল: 09658369970