এবার হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩০ এএম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাতিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। হুমকিসংক্রান্ত একাধিক স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে হান্নান মাসউদের চাচা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির হাতিয়া উপজেলার সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী হেডমাস্টার শামছল তিব্রিজ থানায় জিডিটি করেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, একই দিনে সন্ধ্যা ৭টা ৪ মিনিটে ‘রুপক নন্দী’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে আব্দুল হান্নান মাসউদকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এছাড়া ওইদিন বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ‘Israt Raihan Ome’ নামের আরেকটি ফেসবুক আইডি থেকে এনসিপির এক কর্মীর মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে হান্নান মাসউদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিডিতে মোট সাতজনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা বিভিন্ন সময় নানা কৌশলে আব্দুল হান্নান মাসউদ ও তার সহযোগীদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন। এতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, অভিযুক্তরা যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—হাতিয়া উপজেলার কান্তি লালের ছেলে রুপক নন্দী (২৫), চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ (৪৬), তার ছেলে ইসরাত রায়হান অমি (২৭), সংকর চন্দ্রের ছেলে প্রেম নাল (২৫), তোফায়েল সেরাংয়ের ছেলে নুর হোসেন রহিম (২৬), সংকর চন্দ্র দাসের ছেলে বাবুলাল (৩২) এবং বেলায়েত হোসেনের ছেলে ওমর ফারুক (৩২)।
জিডিকারী শামছল তিব্রিজ গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার ভাতিজা আব্দুল হান্নান মাসউদকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবার ও সমর্থকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, হুমকির ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাপ্ত স্ক্রিনশট যাচাই-বাছাই করে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।