৩ মাস পর ভারত থেকে এলো ১২০ টন পেঁয়াজ
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৩ এএম
দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ফের ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চারটি ট্রাকে মোট ১২০ টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। আমদানিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য পড়ছে বাংলাদেশি টাকায় ৪২ থেকে ৪৩ টাকা।
পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলেও বেনাপোলের প্রধান কাঁচাবাজারে দাম কমার তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। সেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ১২০ টাকায়। তবে বন্দরসংলগ্ন কিছু বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বাজারে প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, সোমবার ও বুধবার ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে চারটি ট্রাকে মোট ১২০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার তিনটি ট্রাকে ৯০ টন এবং বুধবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ বন্দরে প্রবেশ করে।
আমদানি করা পেঁয়াজের ছাড়করণ প্রতিষ্ঠান রয়েল এন্টারপ্রাইজের মালিক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, মেসার্স এইচ কে এ এন্টারপ্রাইজ (সাতক্ষীরা) ও মেসার্স সাবাহ এন্টারপ্রাইজ (যশোর) পেঁয়াজ আমদানি করেছে। তিনি বলেন, সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে এ বন্দর দিয়ে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
এদিকে মেসার্স কপোতাক্ষ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মালিক আবু নিদাল ফয়সল জানান, ভারত থেকে প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হচ্ছে। সব ধরনের বন্দর ও আনুষঙ্গিক ব্যয় যোগ করে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজের খরচ পড়ছে ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা। অথচ খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে।
বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আরও কিছু পেঁয়াজবাহী ট্রাক অপেক্ষমাণ রয়েছে। সেগুলো দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।